বাংলাদেশে টাকা আয় করার Apps দিয়ে ঘরে বসেই সহজে এবং দ্রুত রিয়েল টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন যেমন ভিডিও দেখা, জরিপ পূরণ, ফ্রিল্যান্স কাজ, পণ্য বিক্রি ও ছোটখাট কাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
এই ধরনের অ্যাপগুলো বাংলাদেশে সহজলভ্য এবং বিকাশ, পেপ্যাল, পেওনিয়ার ইত্যাদি মাধ্যমে পেমেন্ট পাওয়া যায়, যা বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য আয় করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে টাকা আয় করার apps | টাকা আয় করার apps
নিম্নে বাংলাদেশে টাকা আয় করার apps সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
১. Arrived
Arrived হলো একটি রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপ, যেখানে আপনি আমেরিকার বিভিন্ন প্রপার্টিতে মাত্র $100 বা তারও কম মূল্যে শেয়ার কিনে ইনভেস্ট করতে পারেন।
এই শেয়ার কিনে আপনি আয় করবেন রেন্টাল ইনকাম এবং প্রপার্টির মূল্য বাড়লে সেই বাড়তি লাভ থেকেও। তবে এই অ্যাপটি সরাসরি বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যায় না। যাদের বৈধ U.S. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ট্যাক্স আইডি আছে বা প্রবাসে থাকে,
তারাই মূলত এটি ব্যবহার করতে পারে। বাংলাদেশে থেকে ব্যবহার করতে চাইলে VPN, Payoneer বা Wise এর মতো পেমেন্ট মাধ্যম ও একটি বৈধ পরিচয়পত্র লাগবে। এটা সম্পূর্ণ প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
২. Fundrise
Fundrise একটি আরেকটি রিয়েল এস্টেট ক্রাউড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপ যেখানে আপনি বিভিন্ন বাণিজ্যিক বা আবাসিক ভবনে বিনিয়োগ করতে পারেন। এটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য উপযোগী।
প্রতি ত্রৈমাসিকে আপনি ডিভিডেন্ড পাবেন এবং প্রপার্টির ভ্যালু বাড়লে ক্যাপিটাল গেইনও আসবে। বাংলাদেশে সরাসরি ব্যবহার করতে না পারলেও, যদি আপনি আন্তর্জাতিকভাবে টাকা বিনিয়োগ করতে চান, তাহলে এটি নিরাপদ ও লাভজনক মাধ্যম হতে পারে।
৩. Rover
Rover অ্যাপটি পোষা প্রাণীদের দেখাশোনা, হাঁটানো বা দিনের কিছু সময় দেখভাল করার মাধ্যমে ইনকাম করার প্ল্যাটফর্ম। মূলত ইউএস, কানাডা ও ইউরোপে কাজ করে।
আপনি যদি বিদেশে থাকেন, তবে এটি দিয়ে বাড়িতে বসেই কুকুর বা বিড়ালের কেয়ার করে ঘণ্টা হিসাব অনুযায়ী আয় করতে পারবেন। বাংলাদেশে এ ধরনের অ্যাপ জনপ্রিয় না হলেও এমন পরিষেবা দেশীয়ভাবে চালু করা সম্ভব।
৪. Cashwalk
Cashwalk এমন একটি অভিনব অ্যাপ যেটি আপনার হাঁটার পদক্ষেপকে রিওয়ার্ডে পরিণত করে। আপনি যত বেশি হাঁটবেন, তত বেশি কয়েন পাবেন। এই কয়েন পরবর্তীতে গিফট কার্ড বা ডিসকাউন্টের জন্য রিডিম করা যায়।
এটি মূলত স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের জন্য, যারা একদিকে হাঁটা ও ফিটনেস বজায় রাখতে চায়, অন্যদিকে আয় করতে চায়। বাংলাদেশে Google Play Store থেকে সরাসরি এটি ডাউনলোড করা যায় না সবসময়, তবে APK মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়।
৫. Poshmark
Poshmark একটি ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইল রিসেলিং অ্যাপ। পুরানো জামা-কাপড়, ব্যাগ, জুতা বা হালকা ব্যবহৃত ব্র্যান্ডেড পণ্য এখানে বিক্রি করে আপনি উপার্জন করতে পারেন।
এটি বর্তমানে বাংলাদেশে সরাসরি ব্যবহারযোগ্য না হলেও, আপনি যদি আমেরিকায় আত্মীয়ের ঠিকানা ব্যবহার করতে পারেন অথবা আমাজন ফ্লিপ শিপিং করেন, তবে এটি ইনকামের একটি ভালো উপায় হতে পারে। ফ্যাশন প্রেমীদের জন্য এটি দারুণ সুযোগ।
৬. Amazon Seller App
Amazon Seller App হলো অ্যামাজনে পণ্য বিক্রির জন্য ব্যবহৃত একটি শক্তিশালী অ্যাপ। আপনি যদি নিজের পণ্য তৈরি করেন বা বিদেশ থেকে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করে বিক্রি করতে চান, তাহলে অ্যামাজন সেলার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে সরাসরি অ্যাকাউন্ট খুলতে Payoneer অ্যাকাউন্ট ও আন্তর্জাতিক ঠিকানা লাগবে। এটি দিয়ে আপনি ড্রপশিপিং, হ্যান্ডমেড প্রোডাক্ট বা থার্ড-পার্টি সেলিং করে ভালো আয় করতে পারবেন।
৭. Neighbor
Neighbor হলো একটি জায়গা ভাড়া দেওয়ার অ্যাপ। যেমন আপনার বাড়িতে ফাঁকা গ্যারেজ, বেসমেন্ট বা স্টোররুম থাকলে আপনি সেখানে অন্যদের জিনিস সংরক্ষণের জন্য ভাড়া দিতে পারবেন এবং আয় করতে পারবেন।
এটি মূলত ইউএস-ভিত্তিক, তাই বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ব্যবহার করা সম্ভব না হলেও অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কনসেপ্ট। আপনি এমন একটি সার্ভিস স্থানীয়ভাবে শুরু করেও ইনকাম করতে পারেন।
৮. Getaround
Getaround হলো গাড়ি ভাড়া দেওয়ার অ্যাপ। যদি আপনার নিজস্ব গাড়ি থাকে এবং আপনি তা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্যকে ভাড়া দিতে চান, তাহলে এই অ্যাপ ব্যবহার করে ইনকাম করা যায়।
যদিও বাংলাদেশে এই অ্যাপ সরাসরি কাজ করে না, তবে গাড়ি শেয়ারিং বা ভাড়া ভিত্তিক অ্যাপের ধারণা ব্যবহার করে দেশীয়ভাবে Uber, Pathao বা গাড়ি ভাড়ার অ্যাপ তৈরির মাধ্যমে ইনকাম করা যায়।
৯. Airbnb
Airbnb একটি বিশ্ববিখ্যাত অ্যাপ যার মাধ্যমে আপনি আপনার বাড়ি বা নির্দিষ্ট রুম পর্যটকদের ভাড়া দিতে পারেন। ঢাকা, কক্সবাজার, সিলেটসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় যারা বাড়ির কোনো অংশ ভাড়া দিতে চান, তাদের জন্য এটি দারুণ উপায়।
আপনি বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে ডলার আয় করতে পারেন এবং Payoneer বা ব্যাংক ট্রান্সফার-এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারেন। এটি একটি সফল ইনকামের প্যাসিভ উৎস হতে পারে।
১০. TikTok
TikTok আজকের দিনে শুধু বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং উপার্জনের একটি বড় মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি যদি ভালো ভিডিও তৈরি করতে পারেন এবং ফলোয়ার বাড়াতে পারেন,
তাহলে TikTok Creator Fund, স্পন্সর কনটেন্ট, ব্র্যান্ড ডিল, এবং লাইভ গিফট এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। অনেক বাংলাদেশি তরুণ এখন TikTok থেকে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছে।
১১. Your Phone Itself!
আজকের দিনে একটি স্মার্টফোন মানেই ইনকামের হ্যান্ডেল। আপনি যেভাবে মোবাইল ব্যবহার করেন তার উপর নির্ভর করে এটি আপনার জন্য ইনকামের সরঞ্জাম হয়ে উঠতে পারে।
গেম খেলা, সার্ভে ফরম পূরণ, ভিডিও দেখা, ইউটিউব চালানো, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজাইনিং, অনলাইন টিচিং সব কিছুই করা যায় এই ছোট ডিভাইস থেকে। শুধু সঠিক অ্যাপ, ইচ্ছা আর ধারাবাহিকতা দরকার।
১২. Swagbucks
Swagbucks হলো একটি GPT (Get Paid To) প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি সার্ভে ফিলআপ, ভিডিও দেখা, লিংকে ক্লিক করা, অ্যাপ ডাউনলোড, রেফারেল করা ইত্যাদির মাধ্যমে পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন।
এই পয়েন্ট আপনি PayPal বা গিফট কার্ডে রূপান্তর করতে পারবেন। এটি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কাজ করে এবং নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য বোনাসও দেয়।
১৩. Freecash
Freecash আজকাল সবচেয়ে জনপ্রিয় ইনকাম অ্যাপগুলোর একটি। এখানে আপনি অফার কমপ্লিট, গেম খেলতে, অ্যাপ ডাউনলোড, বা ছোট ছোট টাস্ক করে ইনকাম করতে পারেন।
পেমেন্ট পদ্ধতিতে PayPal, Bitcoin, Litecoin, Dogecoin এবং Amazon গিফট কার্ড রয়েছে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারেন।
১৪. KashKick
KashKick এমন একটি অ্যাপ যেখানে আপনি বিভিন্ন টাস্ক, সার্ভে এবং অ্যাপ ইনস্টলেশন করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
এটি বর্তমানে শুধু ইউএস ব্যবহারকারীদের জন্য কার্যকর হলেও VPN ও PayPal ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকেও কাজ করা যায়।
১৫. Survey Junkie
Survey Junkie হলো সবচেয়ে পুরনো এবং বিশ্বস্ত সার্ভে ভিত্তিক আয় করার অ্যাপ। আপনাকে বয়স, পছন্দ, জীবনযাপনভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
উত্তরের ভিত্তিতে আপনাকে সার্ভে দেয়া হবে এবং সেগুলো সফলভাবে পূরণ করলে পয়েন্ট পাবেন। বাংলাদেশে থেকেও এই অ্যাপ ব্যবহার করে অনেকে আয় করছে।
১৬. Bingo Cash
Bingo Cash একটি গেম অ্যাপ যেখানে আপনি বাস্তব প্রতিযোগিতায় Bingo গেম খেলে অর্থ আয় করতে পারেন। এটি PayPal পেমেন্ট সাপোর্ট করে।
যদিও এটি অনেক সময় নির্দিষ্ট লোকেশনের জন্য সীমাবদ্ধ থাকে, তবু কিছু ইউজার VPN ব্যবহার করে এটি চালিয়ে সফলভাবে ইনকাম করছে।
১৭. Scrambly
Scrambly একটি নতুন ধরনের রিওয়ার্ড প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি অ্যাপ ইনস্টল, অফার কমপ্লিট, গেম খেলাসহ বিভিন্ন মিশন পূরণ করে ইনকাম করতে পারেন। এই অ্যাপে চ্যালেঞ্জ বেসড সিস্টেম রয়েছে যা তরুণদের খুব আকর্ষণীয় মনে হয়।
১৮. InboxDollars
InboxDollars হলো বিশ্বস্ত একটি GPT অ্যাপ। এখানে আপনি সহজে ভিডিও দেখে, ইমেইল পড়ে, সার্ভে পূরণ করে আয় করতে পারবেন।
প্রতি কাজের নির্দিষ্ট ডলার আয় হয় এবং এটি PayPal সাপোর্ট করে। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায়।
১৯. Cash Giraffe (Android)
এই অ্যাপে আপনি শুধু মোবাইলে গেম খেলে কয়েন উপার্জন করতে পারবেন। Cash Giraffe কয়েন দেয় এবং সেগুলো পয়েন্ট আকারে জমিয়ে আপনি
PayPal বা গিফট কার্ডে রূপান্তর করতে পারবেন। যারা গেম খেলতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি দারুণ একটি ইনকাম মাধ্যম।
২০. Robinhood
Robinhood হলো স্টক ট্রেডিং ও ইনভেস্টমেন্ট অ্যাপ যা যুক্তরাষ্ট্রে খুব জনপ্রিয়। আপনি এখানে স্টক, ETF, এবং ক্রিপ্টো ট্রেড করে আয় করতে পারবেন।
তবে এটি বাংলাদেশে সরাসরি কাজ করে না। আপনি যদি প্রবাসে থাকেন বা ইউএস আইডি ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে এটি ইনভেস্টমেন্টের নিরাপদ ও লাভজনক মাধ্যম।
২১. Fetch Rewards
Fetch Rewards এমন একটি ক্যাশব্যাক অ্যাপ যা মূলত শপিং রিসিপ্ট স্ক্যান করে পয়েন্ট দেয়। আপনি যেকোনো দোকান থেকে কেনাকাটা করার পরে সেই রিসিপ্টের ছবি তুলে অ্যাপে আপলোড করলেই আপনি পয়েন্ট পাবেন।
এই পয়েন্ট জমিয়ে আপনি গিফট কার্ডে রূপান্তর করতে পারেন। তবে অ্যাপটি বর্তমানে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে ভালোভাবে কাজ করে। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহারের জন্য VPN ও ভার্চুয়াল ইউএস ঠিকানা ব্যবহার করে চেষ্টা করতে পারেন।
২২. Rakuten
Rakuten একটি জনপ্রিয় ক্যাশব্যাক ও শপিং অ্যাপ। অনলাইনে যেকোনো প্রোডাক্ট কেনার সময় Rakuten অ্যাপ ব্যবহার করলে নির্দিষ্ট শতাংশ ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। যারা আমাজন, Walmart বা অন্যান্য মার্কিন ওয়েবসাইট থেকে প্রোডাক্ট অর্ডার করেন,
তারা এটি ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারেন। বাংলাদেশে থেকেও আপনি যদি ইউএস সাইটে কেনাকাটা করেন, তাহলে Rakuten এর মাধ্যমে ক্যাশব্যাক অর্জন করা সম্ভব।
২৩. Ibotta
Ibotta মূলত গ্রোসারি বা দৈনন্দিন বাজার করার পর রিসিপ্ট স্ক্যান করে ক্যাশব্যাক দেয়। এটি Rakuten এর মতো কাজ করে কিন্তু আরও বেশি গ্রোসারি-ভিত্তিক। বাংলাদেশে সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নয়,
তবে আন্তর্জাতিক প্রিপেইড কার্ড ও রিসিপ্ট স্ক্যানের কৌশল ব্যবহার করে কেউ কেউ ব্যবহার করছে। যারা বিদেশে থাকেন বা কাজ করেন তাদের জন্য এটি ভালো বিকল্প।
২৪. Pogo
Pogo একটি ইনকাম অ্যাপ যা আপনার ফোনের ডেটা বিশ্লেষণ করে পয়েন্ট দেয়। যেমন আপনি কোন অ্যাপ ব্যবহার করছেন, কোথায় যাচ্ছেন ইত্যাদি। এছাড়া সার্ভে ও অফার কমপ্লিট করেও আয় করা যায়।
আপনার একটিভ মোবাইল থাকলেই আপনি ইনকাম করতে পারবেন। বাংলাদেশে সরাসরি কাজ না করলেও VPN ও ইউএস ফোন নাম্বার ব্যবহার করলে কাজ করে।
২৫. Upside
Upside একটি ক্যাশব্যাক অ্যাপ যা গ্যাস স্টেশন, গ্রোসারি ও রেস্টুরেন্টে কেনাকাটা করলে ক্যাশব্যাক দেয়। এটি বর্তমানে শুধু আমেরিকান মার্কেটে কার্যকর হলেও অনেকেই USA লোকেশন ব্যবহার করে VPN
এর মাধ্যমে এটি চালায় এবং ইনকাম করে। আপনি যদি প্রবাসে থাকেন, তাহলে নিয়মিত শপিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।
২৬. Google Opinion Rewards
Google Opinion Rewards হলো Google এর নিজস্ব একটি সার্ভে অ্যাপ। আপনি এখানে ছোট ছোট প্রশ্নের উত্তর দিয়ে Google Play Balance বা PayPal ব্যালেন্স পেতে পারেন।
বাংলাদেশে Android ব্যবহারকারীদের জন্য এটি Play Store এ সহজেই পাওয়া যায় এবং বৈধভাবে ব্যবহার করা যায়। যারা মোবাইল অ্যাপস কিনেন বা রিচার্জে ব্যালেন্স ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য এটি ভালো উপায়।
২৭. Sharetown
Sharetown একটি মার্কিন ভিত্তিক রিসেলিং ও ফার্নিচার রিপেয়ার অ্যাপ। আপনি পুরনো ফার্নিচার কিনে মেরামত করে পুনরায় বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
এটি মূলত অফলাইনে কাজ করে কিন্তু অ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার, বিলিং ও যোগাযোগ হয়। বাংলাদেশে সরাসরি চালু নেই, তবে এই ব্যবসার মডেলটি দেশে ব্যবহার করে আয় করা সম্ভব।
২৮. Airtasker
Airtasker হলো একটি ফ্রিল্যান্স কাজের প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি ঘর পরিষ্কার, ইলেকট্রিক কাজ, গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন কাজের জন্য অফার দিতে পারেন এবং আয় করতে পারেন।
এটি অস্ট্রেলিয়া, ইউকে এবং কিছু দেশে খুব জনপ্রিয়। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কাজ না করলেও কিছু সেবা (যেমন ডিজিটাল টাস্ক) অফার করা যায়।
২৯. Wonolo
Wonolo হলো অন-ডিমান্ড জব অ্যাপ যেখানে আপনি শিপিং, প্যাকিং, ডেলিভারি, ইভেন্ট সহায়ক ইত্যাদি অস্থায়ী কাজ করতে পারেন।
এই অ্যাপ কেবল নির্দিষ্ট মার্কেটে কাজ করে। বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এটি সময়মতো কাজ পেতে সহায়ক। দেশীয়ভাবে এটি অনুকরণ করে ‘ঘন্টাপ্রতি কাজ’ অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে।
৩০. Oppizi
Oppizi হলো একটি অফলাইন মার্কেটিং অ্যাপ যেখানে আপনাকে ফ্লায়ার বিলি, পোস্টার লাগানো বা ব্র্যান্ডিং কাজে অংশ নিতে বলা হয়। আপনি যত বেশি লোকজনের মধ্যে ফ্লায়ার বিলি করেন, তত বেশি আয় করতে পারেন।
বাংলাদেশে এখনো এইরকম কোনো অ্যাপ চালু না থাকলেও, স্থানীয় মার্কেটিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে এরকম সেবা দিয়ে আয় করা সম্ভব।
৩১. Nielsen Computer & Mobile Panel
Nielsen একটি রিসার্চ কোম্পানি যারা আপনার মোবাইল ও কম্পিউটারে ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে। এই তথ্য সংগ্রহের বিনিময়ে তারা আপনাকে মাসিক ইনসেনটিভ বা রিওয়ার্ড দেয়।
বাংলাদেশে সরাসরি কাজ করে না, তবে VPN ও নির্দিষ্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা এটি থেকে প্যাসিভ ইনকাম করে থাকেন।
৩২. MobileXpression
MobileXpression হলো আরেকটি প্যাসিভ ইনকাম অ্যাপ যা আপনার মোবাইল ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা সংগ্রহ করে এবং আপনাকে প্রতিমাসে পয়েন্ট বা ক্যাশ আকারে রিওয়ার্ড দেয়।
এটি Bangladesh থেকে সরাসরি কাজ করে না, তবে ইউএস বা ইউকে সার্ভার ব্যবহার করে ব্যবহার করা যায়।
৩৩. Honeygain
Honeygain এমন একটি অ্যাপ যেখানে আপনি নিজের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ শেয়ার করে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন। এটি একবার চালু করলেই দিনে দিনে নিজে থেকে ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে টাকা জমা হয়।
প্রতি ২০ ডলারে আপনি PayPal দিয়ে পেমেন্ট নিতে পারবেন। বাংলাদেশে এটি সরাসরি কাজ করে এবং খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
৩৪. Caden (iOS)
Caden হলো একটি iPhone ব্যবহারকারীদের জন্য ডেটা বেইজড ইনকাম অ্যাপ। এটি আপনার বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য বিশ্লেষণ করে আপনাকে পয়েন্ট আকারে ইনকাম দেয়।
Android এ এটি পাওয়া যায় না। Apple ব্যবহারকারীরা যারা আইওএস ১৪ বা তদূর্ধ্ব ব্যবহার করেন, তারা এটি থেকে ভালো পরিমাণ প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন।
৩৫. Lyft এবং Uber
Lyft এবং Uber বিশ্বের দুইটি শীর্ষস্থানীয় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ। আপনি যদি নিজের গাড়ি দিয়ে যাত্রী পরিবহন করতে পারেন, তবে এদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আয় করা সম্ভব।
বাংলাদেশে Uber চালু থাকলেও Lyft এখনো চালু হয়নি। যারা বিদেশে থাকেন, বিশেষ করে ইউএস, ইউকে বা কানাডায়, তারা দিনে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ কুইজ খেলে টাকা ইনকাম করার অ্যাপস | কুইজ খেলে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়
৩৬. HopSkipDrive
HopSkipDrive হলো মূলত শিশুদের নিরাপদভাবে স্কুলে পৌঁছানোর জন্য ডিজাইন করা রাইড শেয়ারিং অ্যাপ।
আপনি যদি নির্ভরযোগ্য এবং নিরাপদ ড্রাইভার হন, তাহলে এই প্ল্যাটফর্মে যোগ দিয়ে আয় করতে পারেন। এটি বর্তমানে শুধুমাত্র ইউএস-ভিত্তিক হলেও শিশু পরিবহনের জন্য বাংলাদেশে অনুরূপ অ্যাপ চালু করা যেতে পারে।
৩৭. Uber Eats
Uber Eats হলো Uber এর খাদ্য সরবরাহ অ্যাপ। আপনি যদি বাইক বা স্কুটার চালাতে পারেন, তাহলে Uber Eats ডেলিভারি পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়ে ইনকাম করতে পারবেন।
বাংলাদেশে এটি এখনো চালু না হলেও, Pathao বা Foodpanda এর মাধ্যমে অনুরূপভাবে ইনকাম সম্ভব।
৩৮. Instacart
Instacart মূলত যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় গ্রোসারি ডেলিভারি অ্যাপ। আপনি অন্যের জন্য দোকান থেকে বাজার করে পৌঁছে দিলেই ইনকাম করতে পারবেন।
প্রতি ডেলিভারিতে ৫-১৫ ডলার পর্যন্ত আয় হয়। বাংলাদেশে সরাসরি ব্যবহারযোগ্য না হলেও, অনুরূপ সিস্টেম দিয়ে আপনার এলাকাভিত্তিক পরিষেবা চালু করা সম্ভব।
৩৯. DoorDash
DoorDash যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াতে খাদ্য সরবরাহ পরিষেবার অ্যাপ। Uber Eats এর মতো, এখানে আপনি ডেলিভারি পার্টনার হিসেবে কাজ করে ইনকাম করতে পারেন।
যারা বিদেশে থাকেন, তারা Part-time কাজ করে মাসে $৫০০–$১৫০০ পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
৪০. Field Agent
Field Agent হলো একটি টাস্ক বেইজড অ্যাপ, যেখানে আপনি সুপার শপে গিয়ে নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের ছবি তুলবেন, রিভিউ লিখবেন বা ছোট টাস্ক করবেন। একেক টাস্কে ১-৫ ডলার পর্যন্ত ইনকাম হয়।
বাংলাদেশে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ করে না, তবে VPN ও লোকেশন স্পুফ ব্যবহার করে অনেকেই এটি চালিয়ে আয় করছে।
৪১. Gigwalk
Gigwalk একটি মাইক্রো-টাস্ক অ্যাপ যেখানে আপনাকে আপনার এলাকার দোকান বা শপিং মলে গিয়ে নির্দিষ্ট টাস্ক যেমন: প্রোডাক্টের ছবি তোলা, মূল্য যাচাই, ডিসপ্লে দেখা ইত্যাদি করতে হয়।
প্রতিটি টাস্কের জন্য ৩ থেকে ৫০ ডলার পর্যন্ত পেমেন্ট দেওয়া হয়। বাংলাদেশে সরাসরি এটি চালু নেই, তবে আপনি যদি বড় শহরে থাকেন এবং VPN ও ঠিকানা স্পুফিং ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে এটি ব্যবহারযোগ্য হতে পারে।
৪২. Sweatcoin
Sweatcoin একটি অনন্য অ্যাপ যা আপনার হাঁটার সংখ্যা ট্র্যাক করে আপনাকে পয়েন্ট দেয়। এই পয়েন্ট আপনি তাদের মার্কেটপ্লেস থেকে বিভিন্ন পণ্য, ছাড় বা ক্যাশ রিওয়ার্ডের জন্য রিডিম করতে পারেন।
অ্যাপটি স্বাস্থ্যসচেতনদের জন্য খুবই উপযোগী। বাংলাদেশেও এটি কাজ করে, তবে ভালো ইনকামের জন্য রেফার এবং মার্কেটপ্লেস এক্সেস দরকার হয়।
৪৩. Tapestri
Tapestri একটি প্যাসিভ ইনকাম অ্যাপ যা আপনার লোকেশন ও ফোন ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ইনকাম দেয়। এটি মূলত ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে এবং প্রতিদিন ডেটা কালেকশন করে।
আপনি শুধু অ্যাপটি চালু রেখে মাস শেষে পেমেন্ট পেতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে এটি ব্যবহার করা যায়, তবে বেশি ইনকামের জন্য রেফারেল দরকার হয়।
৪৪. Skillshare
Skillshare একটি লার্নিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি নিজের কোর্স তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন। আপনি যদি কিছু শেখাতে পারেন যেমন: গ্রাফিক ডিজাইন, অ্যানিমেশন, মার্কেটিং বা ফটোগ্রাফি,
তাহলে এটি একটি বিশাল আয়ের উৎস হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক মার্কেটের জন্য কোর্স বানিয়ে মাসে কয়েকশো ডলার আয় করা যায়।
৪৫. Udemy
Udemy আরেকটি অনলাইন কোর্স বিক্রির প্ল্যাটফর্ম। আপনি যেকোনো বিষয়ের ওপর ভিডিও কোর্স তৈরি করে আপলোড করতে পারেন।
একবার কোর্স তৈরি করলে তা প্যাসিভ ইনকামের উৎস হয়ে ওঠে। অনেক বাংলাদেশি শিক্ষক এই প্ল্যাটফর্ম থেকে মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছেন।
৪৬. Teachable
Teachable হলো একটি ব্যক্তিগত কোর্স প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি নিজের ওয়েবসাইটে কোর্স বিক্রি করতে পারেন। Udemy বা Skillshare এর চেয়ে এখানে আপনি নিজের দামে কোর্স বিক্রি করতে পারবেন।
আপনি যদি নিজে ব্র্যান্ড তৈরি করতে চান এবং নিয়ন্ত্রণ রাখতে চান, তাহলে এটি একটি ভালো বিকল্প।
৪৭. Etsy
Etsy হলো একটি হ্যান্ডমেইড ও ডিজিটাল পণ্য বিক্রির মার্কেটপ্লেস। আপনি যদি ডিজিটাল পণ্য যেমন: প্রিন্টেবল, ডিজাইন, স্টিকার, জার্নাল ইত্যাদি তৈরি করতে পারেন, তাহলে এটি আপনার জন্য।
বাংলাদেশ থেকেও Etsy শপ খুলে বিক্রি করা সম্ভব, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে। Payoneer বা Wise ব্যবহার করে পেমেন্ট নেওয়া যায়।
৪৮. Redbubble
Redbubble একটি POD (Print-on-Demand) মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি ডিজাইন আপলোড করলে তারা সেটি টি-শার্ট, কাপ, পোস্টার ইত্যাদিতে প্রিন্ট করে বিক্রি করে এবং আপনি কমিশন পান।
আপনি ডিজাইন জানলে সহজেই এই প্ল্যাটফর্ম থেকে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন। বাংলাদেশ থেকেও এটি কাজ করে।
৪৯. Printful
Printful হলো POD ব্যবসার জন্য একটি সাপ্লাই ও প্রিন্ট সিস্টেম। এটি Shopify বা Etsy এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করে।
আপনি ডিজাইন করলে ও কাস্টমার অর্ডার দিলে তারা প্রিন্ট করে গ্রাহকের ঠিকানায় পাঠায় এবং আপনি লাভ পান। বাংলাদেশ থেকে Shopify স্টোর খুলে Printful যুক্ত করে আন্তর্জাতিকভাবে ইনকাম করা যায়।
৫০. Zazzle
Zazzle আরেকটি POD মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি আপনার ডিজাইন দিয়ে প্রোডাক্ট বানিয়ে সেল করতে পারেন।
এর মাধ্যমে আপনি পোশাক, ক্যালেন্ডার, কাস্টম কার্ড, ব্যাগ ইত্যাদি বিক্রি করে কমিশন পেতে পারেন। ফ্রিল্যান্সার ও ডিজাইনারদের জন্য এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ইনকামের মাধ্যম হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বসে না থেকে ত্রই apps দিয়ে 300 টাকা ইনকাম করুন .কাজ করা খুব সোজা
FAQs: বাংলাদেশে টাকা আয় করার apps | টাকা আয় করার apps
১. বাংলাদেশে কোন কোন অ্যাপ থেকে আসলেই টাকা আয় করা যায়?
বাংলাদেশে ব্যবহারযোগ্য কিছু জনপ্রিয় অ্যাপের মধ্যে রয়েছে: Swagbucks, Google Opinion Rewards, Honeygain, ClipClaps, Cash Giraffe, Roz Dhan, EarnApp, InboxDollars, Freecash ইত্যাদি।
তবে সব অ্যাপ সরাসরি বাংলাদেশে কাজ না করলেও VPN ও PayPal/Payoneer ব্যবহারে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা সম্ভব।
২. কোন অ্যাপগুলো বিকাশে টাকা দেয়?
অধিকাংশ আন্তর্জাতিক অ্যাপ সরাসরি বিকাশে টাকা দেয় না। তবে আপনি PayPal থেকে Payoneer বা Wise এর মাধ্যমে টাকা বাংলাদেশে আনতে পারেন এবং সেখান থেকে বিকাশে ট্রান্সফার করা যায়।
কিছু দেশীয় অ্যাপ যেমন Likee, WowApp, Taskbucks (ভারতীয়), বা কিছু Facebook Group ভিত্তিক ইনকাম অ্যাপ, সরাসরি বিকাশে টাকা দেয়।
৩. অ্যাপ ইনকাম কি বিশ্বাসযোগ্য? প্রতারণা হওয়ার আশঙ্কা আছে কি?
অনেক অ্যাপ সত্যিকারের ইনকাম দেয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তবে কিছু অ্যাপ শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ইনকাম করিয়ে পেমেন্ট না দিয়ে প্রতারণা করে। সেজন্যে রিভিউ পড়া, ইউটিউব ভিডিও দেখা ও পেমেন্ট প্রুফ যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৪. মোবাইল দিয়ে প্রতিদিন কত টাকা আয় করা সম্ভব?
এটি নির্ভর করে আপনি কোন অ্যাপ ব্যবহার করছেন এবং কত সময় দিচ্ছেন তার উপর। সাধারণত, প্রতিদিন ৫০–৫০০ টাকা আয় করা সম্ভব কিছু জনপ্রিয় অ্যাপ ব্যবহার করে। ভালো স্কিল থাকলে Fiverr বা Upwork এর মতো প্ল্যাটফর্মে আরও বেশি আয় সম্ভব।
৫. ভিডিও দেখে বা হাঁটাহাঁটি করে টাকা ইনকাম করা যায়?
হ্যাঁ! আপনি ClipClaps, CashWalk, Sweatcoin বা Google Opinion Rewards এর মতো অ্যাপ থেকে ভিডিও দেখে বা হাঁটার মাধ্যমে পয়েন্ট ইনকাম করতে পারেন, যেগুলো পরে নগদে রূপান্তর করা সম্ভব।
৬. কোনো ইনভেস্ট ছাড়া কীভাবে অ্যাপ দিয়ে আয় শুরু করবো?
বেশিরভাগ রিয়েল অ্যাপ বিনা ইনভেস্টে শুরু করা যায়। আপনি শুধু একটি ইন্টারনেট কানেকশন, স্মার্টফোন, একটি ইমেইল অ্যাকাউন্ট এবং PayPal বা Payoneer অ্যাকাউন্ট খুললেই অনেক অ্যাপে ইনকাম শুরু করতে পারবেন।
৭. অ্যাপ থেকে আয় করা টাকা কীভাবে ব্যাংকে আনবো?
যদি অ্যাপটি PayPal/Payoneer/WISE সমর্থন করে, তাহলে আপনি সেখান থেকে বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এরপর মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ) ব্যবহার করে টাকা তুলতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ ফ্রি গেম খেলে টাকা ইনকাম | ফ্রিতে গেম খেলে টাকা ইনকাম
৮. বাংলাদেশের তরুণদের জন্য সবচেয়ে ভালো ইনকাম অ্যাপ কোনটি?
শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে ভালো অ্যাপ হতে পারে: Google Opinion Rewards, Freecash, Swagbucks, YouTube Shorts (monetized), Fiverr app, বা Honeygain। কারণ এগুলো সহজ, সময়সাশ্রয়ী এবং বৈধ।
৯. কিভাবে বুঝবো কোন অ্যাপ রিয়েল?
নিচের বিষয়গুলো দেখে বুঝুন:
- অ্যাপটির Google Play Store বা App Store রেটিং।
- ইউটিউবে ব্যবহারকারীদের রিভিউ ও পেমেন্ট প্রুফ।
- অ্যাপের পেছনে থাকা কোম্পানির তথ্য।
- অযৌক্তিক ইনকামের প্রতিশ্রুতি থাকলে সেটা এড়িয়ে চলুন।
১০. একই ফোনে একাধিক ইনকাম অ্যাপ ব্যবহার করা কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, তবে আপনার ফোনের স্টোরেজ, ব্যাটারি এবং ডেটা সুরক্ষা বিবেচনা করে সীমিতসংখ্যক নিরাপদ অ্যাপ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। একই অ্যাপের একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করলে সাসপেন্ড হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
(Disclaimer)
এই ওয়েবসাইটে উল্লিখিত সকল “বাংলাদেশে টাকা আয় করার apps” বা ইনকাম প্ল্যাটফর্ম শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও তথ্যভিত্তিক উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আমরা কোনো সাইটের সরাসরি প্রতিনিধি নই এবং এদের কার্যক্রমের জন্য আমাদের কোনো দায়িত্ব বা কর্তৃত্ব নেই। ব্যবহারকারীদের প্রতি অনুরোধ, সাইট ব্যবহারের আগে নিজ দায়িত্বে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিন।
এখানে উল্লেখিত কোনো অফারে অংশগ্রহণ, ইনভেস্টমেন্ট বা একাউন্ট খোলার মাধ্যমে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতির জন্য এই ওয়েবসাইট বা এর লেখক কোনোভাবেই দায়ী থাকবে না।
আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়ার, তবে সময়ের সাথে সাথে অফার বা শর্তাবলি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যেকোনো সাইট ব্যবহারের পূর্বে সরাসরি তাদের অফিসিয়াল নিয়মাবলী পড়ে নেওয়া বাঞ্ছনীয়।



